বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

বিলুপ্তির পথে জমিদার রামমোহন গুপ্তের বাড়ি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৩৬ পিএম
বিলুপ্তির পথে জমিদার রামমোহন গুপ্তের বাড়ি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের গুপ্ত জমিদার বাড়িটি প্রায় তিনশ বছর আগের ঐতিহাসিক স্থাপনার নিদর্শন। স্থানীয়ভাবে এটি অদ্দার বাড়ি বলে পরিচিত। জমিদার রামমোহন গুপ্তের হাত ধরে এ বাড়ির গোড়াপত্তন।

বাড়িটি মূলত কাঠ, চুন, সুরকি এবং ইট দিয়ে নির্মিত। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং এর স্থাপত্যে নান্দনিক ও মনোমুগ্ধকর কারুকাজ বিদ্যমান।

দুই ভাগে বিভক্ত বিশালাকার এ বাড়িটির একটি বাইরের অংশ, অপরটি ভেতরের। বাইরের অংশে আছে কাছারি ঘর। যেখানে জমিদারেরা বৈঠক করতেন, প্রজাদের অভিযোগ শুনতেন ও বিচার করতেন।

ভেতরের অংশটি হলো অন্দরমহল। বাড়িটির চারদিকে আছে বড় বড় পুকুর, দীঘি ও মন্দির। তবে এখন সর্বত্র আগাছা ও ঝোপ–জঙ্গলে ভরে গেছে। দরজা, জানালার কোনো চিহ্ন নেই। দেয়ালে ও বড় ফটকে জন্মেছে বট গাছের চারা। বাড়ির আঙিনা ও ভেতরের অংশে বাসা বেঁধেছে সাপ।

কথিত আছে- একসময় বাড়ির সামনে দিয়ে কেউ কখনো জুতা পায়ে, ছাতা মাথায় দিয়ে হাঁটতেন না। স্বয়ং ব্রিটিশরাও এ জমিদার বাড়িকে সম্মান জানাতেন।

ইতিহাস ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, এই জমিদার বংশধররা ময়মনসিংহ জেলা থেকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এসে বসতি স্থাপন করেন। তখন এই এলাকাটি আরকান রাজ্যের অধীনে ছিল এবং এখানে একচেটিয়া আদিবাসিদের অর্থাৎ মং, চাকমা ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর বসবাস ছিল। তখন তারা বাঙালিদের ওপর অত্যাচার করত। তাই মং, চাকমা ও অন্য আদিবাসিদের এই এলাকা ছাড়ার জন্য রামমোহন গুপ্ত হিন্দু ও মুসলমান বাঙালি জাতিকে নিয়ে আদিবাসী হটাও আন্দোলন গড়ে তোলেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে তারা একসময় এই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।

এর ধারাবাহিকতায় রামমোহন গুপ্ত হিন্দু ও মুসলমান বাঙালি জাতির কাছে একজন প্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেন এবং সবার বিপদ আপদে সাড়া দিতেন। তার সঙ্গে একসময় এক মুসলিম মহিলার পরিচয় হয়। যার সঙ্গে তিনি ধর্মবোনের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। হঠাৎ একদিন ওই মহিলা স্বপ্নের মাধ্যমে গুপ্তধনের সন্ধান পান। তখন তিনি তার ধর্মভাই রামমোহনকে নিয়ে উক্ত গুপ্তধন উদ্ধার করেন।

তবে তার আপন কেউ না থাকাতে ধর্মভাই রামমোহনকে সব সম্পদ দান করেন। আর এই বিশাল সম্পদ দিয়ে রামমোহন গুপ্ত তার এই জমিদারির সূচনা করেন। এরপর তিনি ও তার বংশধররা জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির আগপর্যন্ত জমিদারি পরিচালনা করতে থাকেন।

রামমোহন গুপ্ত ছিলেন অত্যন্ত প্রজাহিতৈষী জমিদার। তিনি তার প্রজাদের জন্য অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। অনেক মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। জমিদার রামমোহন গুপ্ত তার ধর্মবোন মারা গেলে তার জন্য প্রতি বছর তিনি একই রঙের প্রায় আটটি গরু জবাই করে মেহমানদারির আয়োজন করতেন। জমিদার রামমোহন গুপ্ত মারা যাওয়ার পর পরবর্তী জমিদাররা আস্তে আস্তে রামমোহনের ধর্মবোনেরর জন্য করা মেহমানদারি বন্ধ করে দেন।

বিভিন্ন তথ্যমতে, জমিদার রামমোহন গুপ্ত ১৭০০ সালের শেষের দিকে এই ভবন নির্মাণ করেন। ১৯৪৮ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়ে গেলে এই বাড়ির দুর্দশার শুরু। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজাকারেরা বাড়িটিতে আগুন দেয়। বহু মূল্যবান পুরাকীর্তি লুট করে। কালের সাক্ষী এ ভবন সরকারিভাবে সংরক্ষণ প্রয়োজন।

প্রায় ১০ একর জায়গার উপর ১২০ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন, কাছারি ঘর, নাচঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দিরসহ অনেক কিছু এখানে তৈরি করা হয়েছে।

১২০ কক্ষের বাড়িটিতে এখন মাত্র ২০টি কক্ষ অবশিষ্ট রয়েছে। এখানে এখনো জমিদার বংশের উত্তরসূরিরা বসবাস করছেন। তবে এখন আর তাদের সেই জমিদারি জৌলুস নেই। এখন কষ্টে ও অনাহারে তাদের দিন কাটাতে হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, এক সময়ের প্রতাপশালী জমিদার রামমোহনের উত্তরসূরিদের এখন দিন কাটছে অভাব-অনটনে। পুরো ভবনটিরই এখন জরাজীর্ণ অবস্থা। যে কোনো সময় ভেঙে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। এরপরও ঝুঁকি নিয়ে এ ভবনে বসবাস করছেন কিছু বংশধর। বাকিরা চট্টগ্রাম শহরে। অন্য একটি অংশ ভারতে চলে গেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, গুপ্ত জমিদার বাড়িটি সরকারিভাবে সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে দিনে দিনে বিলীন হয়ে যাবে। ইতিহাস থেকে নাম মুছে যাবে ঐতিহ্যবাহী এ জমিদার বাড়ির। নতুন প্রজন্ম দেখতে পারবে না শেষ স্মৃতিটুকুও। প্রাচীন এ জমিদার বাড়ি বাঙালি জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কালের সাক্ষী এই ভবন সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে অভিমত বিশিষ্টজনের।

পদুয়া জমিদার বাড়ির নিকটাত্মীয় প্রধান শিক্ষক সুনীল চৌধুরী বলেন, গুপ্ত বাড়ি দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এ বাড়ির সৌন্দর্য ও দাপট ছিল অপরিসীম। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখনো এ বাড়ি দেখতে আসে। সংস্কারের অভাবে এ বিশাল জমিদার বাড়ি একেবারেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বর্তমান সরকার যদি বাড়িটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয় তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

পদুয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিকায়ত আলি বলেন, ঐতিহাসিক পদুয়া গুপ্ত জমিদার বাড়িটির সংরক্ষণের দাবি অনেক দিনের। এই ভবনকে অবিলম্বে পুরাকীর্তির স্বীকৃতি দিয়ে সংস্কার করা প্রয়োজন।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঐতিহ্যবাহী পদুয়া জমিদার বাড়িটি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গুপ্ত জমিদার বাড়িটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০৫ পিএম
অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারী স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংকটির ডাটা অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ১৩ আগস্ট থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি
প্রকাশের তারিখ: ১৩ আগস্ট ২০২৫
পদ ও লোকবল: নির্ধারিত নয়
আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ: ১৩ আগস্ট ২০২৫
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৩ আগস্ট ২০২৫
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.bracbank.com
আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
পদের নাম: অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজার
বিভাগ: ডাটা অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সাইন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং ওর ইনফরমেশন টেকনোলজিতে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজ, আরডিবিএমএস, পিএল/এসকিউএল এবং পাইথনের উপর ভালো জ্ঞান।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর

এক্স-এ নতুন গ্রোক এআই ফিচার: ছবিকে মুহূর্তেই ভিডিওতে রূপান্তর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০২ পিএম
এক্স-এ নতুন গ্রোক এআই ফিচার: ছবিকে মুহূর্তেই ভিডিওতে রূপান্তর

জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এবার চালু করেছে অভিনব এক ফিচার, যার মাধ্যমে যেকোনো ছবি থেকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ভিডিও তৈরি করা যাবে। ইলন মাস্ক নিশ্চিত করেছেন, এই সুবিধা প্রথমে iOS ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলেও শিগগিরই অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণও আসছে।

কীভাবে কাজ করবে?
এক্স অ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণ ইনস্টল করার পর ফিডে থাকা কোনো ছবিতে কিছুক্ষণ চাপ দিলেই “Make video with Grok” অপশন দেখা যাবে। সেটি নির্বাচন করলেই ছবি সরাসরি গ্রোক অ্যাপে চলে যাবে এবং প্রায় ১৭ সেকেন্ডে ভিডিও তৈরি হবে। ব্যবহারকারী চাইলে ভিডিওতে চারটি ভিন্ন অডিও ট্র্যাকের যেকোনো একটি যুক্ত করতে পারবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারও করতে পারবেন।

গ্রোক ইমাজিন সবার জন্য উন্মুক্ত
এই ফিচার এসেছে Grok Imagine সেবার আওতায়, যা সাময়িকভাবে সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের জন্য বিনামূল্যে চালু রয়েছে। আগে ছবি ম্যানুয়ালি আপলোড করতে হলেও এখন পুরো প্রক্রিয়াই ব্যাকগ্রাউন্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে, ফলে কনটেন্ট তৈরি হবে আরও দ্রুত ও সহজভাবে।

ব্যবহারের জন্য যা প্রয়োজন

  • গ্রোক অ্যাপ ইনস্টল ও রেজিস্টার্ড অ্যাকাউন্টে লগইন
  • এক্স অ্যাপ আপডেট (iOS-এ এখনই ব্যবহারযোগ্য, Android সংস্করণ শিগগিরই আসছে)
  • সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ ও পর্যাপ্ত স্টোরেজ স্পেস

সম্প্রতি গ্রোক অ্যাপে অটো ও এক্সপার্ট মোড যুক্ত হয়েছে, উন্নত করা হয়েছে PDF প্রোসেসিং। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এখন টেক্সট বা ছবি থেকে ৬ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করার সুবিধাও পাচ্ছেন।

ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:০০ পিএম
ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে এবং এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার অতি সীমিত পদক্ষেপ নিয়েছে—এমন তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৪ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে বেআইনি বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নিখোঁজ হওয়া, নির্যাতন, বেআইনি গ্রেপ্তার ও আটকসহ নানা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মণিপুর রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রিস্টান কুকি ও হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান জাতিগত সংঘাত মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। যদিও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী দুই পক্ষের মধ্যে বাফার জোন বজায় রেখেছে, গণমাধ্যমের তথ্যে জানা গেছে—২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সংঘাতে ৪৮ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। সংঘাত নিরসনে সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভ দমনে পুলিশ স্টান গান ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে এবং কয়েকটি এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে।

এছাড়া, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত একটি বিশেষ প্যানেল মণিপুরে মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে—বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নিখোঁজ হওয়া, নির্যাতন, বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তঃদেশীয় দমন, সংঘাতে গুরুতর লঙ্ঘন, মাওবাদী গোষ্ঠীতে শিশুদের অবৈধ নিয়োগ, মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা হুমকি, সেন্সরশিপ, জোরপূর্বক গর্ভপাত ও বন্ধ্যাকরণ।

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, এসব লঙ্ঘনে জড়িত কর্মকর্তাদের শনাক্ত ও শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মোদি সরকারের পদক্ষেপ অত্যন্ত সীমিত।

এ ছাড়া জম্মু-কাশ্মির, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মাওবাদী সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় বহু প্রাণহানি ঘটেছে। ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসীরা ২০ জন নিরাপত্তা সদস্য ও ১৮ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত এসব অপরাধের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম কর্তৃপক্ষ অব্যাহত রেখেছে।